আমাদের সম্পর্কে

jta9 — বাংলাদেশের সবচেয়ে বিশ্বস্ত
অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম

আমরা বিশ্বাস করি প্রতিটি খেলোয়াড় সেরা অভিজ্ঞতা পাওয়ার যোগ্য। নিরাপদ পরিবেশ, ন্যায্য গেম এবং দ্রুত পেমেন্ট — এই তিনটি মূলনীতিকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছে jta9

১০০% নিরাপদ তাৎক্ষণিক পেআউট সেরা বোনাস ২৪/৭ সাপোর্ট

২০২০ সালে প্রতিষ্ঠিত jta9 আজ বাংলাদেশের লক্ষাধিক গেমারের পছন্দের গন্তব্য। স্লট, লাইভ ক্যাসিনো, ফিশ গেম থেকে শুরু করে স্পোর্টস বেটিং — সবকিছু এক ছাদের নিচে।

৫ লক্ষ+
নিবন্ধিত সদস্য
১,০০০+
গেম কালেকশন
৯৮.৫%
সন্তুষ্টির হার
২৪/৭
লাইভ সাপোর্ট
২০২০
প্রতিষ্ঠার বছর
৫ লক্ষ+
সক্রিয় সদস্য
১,০০০+
গেম শিরোনাম
৮+
পেমেন্ট পদ্ধতি
৩০ সে.
গড় পেআউট সময়
jta9 কীভাবে শুরু হলো?

২০২০ সালের শুরুতে, যখন বাংলাদেশে অনলাইন গেমিং মাত্র জনপ্রিয়তা পেতে শ ুরু করেছে, তখন একদল উদ্যমী তরুণ উদ্যোক্তা একটি স্বপ্ন নিয়ে কাজ শুরু করেন। তাঁদের লক্ষ্য ছিল একটাই — বাংলাদেশের গেমারদের জন্য এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা যেটা আন্তর্জাতিক মানের, কিন্তু একদম দেশীয় ব্যবহারকারীর সুবিধার কথা মাথায় রেখে বানানো।

শুরুতে jta9 ছিল একটি ছোট্ট স্লট গেমিং সাইট। কিন্তু ব্যবহারকারীদের আস্থা ও ভালোবাসায় দ্রুতই এটি বড় হয়ে ওঠে। আজ jta9-এ রয়েছে লাইভ ক্যাসিনো, ফিশ গেম, স্পোর্টস বেটিং এবং আরও অনেক কিছু। প্রতি মাসে হাজার হাজার নতুন সদস্য যোগ দিচ্ছেন এবং বিজয়ীরা তাদের পুরস্কার ঘরে বসেই তুলে নিচ্ছেন।

jta9-এর সাফল্যের পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ হলো স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা। এখানে প্রতিটি গেম তৃতীয় পক্ষের অডিটরদের দ্বারা পরীক্ষিত ও সার্টিফাইড। র‌্যান্ডম নম্বর জেনারেটর (RNG) প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিশ্চিত করা হয় যে প্রতিটি রাউন্ড সম্পূর্ণ ন্যায্য। কোনো ম্যানিপুলেশন নেই, কোনো লুকানো শর্ত নেই।

পেমেন্টের ক্ষেত্রে jta9 বাংলাদেশের বাস্তবতাকে সামনে রেখেছে। Mobile Banking, Nagad, Rocket-এর মতো পরিচিত মোবাইল ব্যাংকিং থেকে শুরু করে ক্রিপ্টোকারেন্সি পর্যন্ত — সব ধরনের পেমেন্ট সুবিধা এক জায়গায়। সর্বনিম্ন ৳৫০ থেকে ডিপোজিট করা যায় এবং জয়ের টাকা মাত্র ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

আমাদের প্রতিশ্রুতি শুধু গেমের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। jta9 দায়িত্বশীল গেমিংয়ে বিশ্বাস করে। আমরা চাই প্রতিটি সদস্য মজার সাথে খেলুক, কিন্তু কেউ যেন আসক্তিতে না পড়ে। সেজন্য অ্যাকাউন্ট সেলফ-লিমিট, কুলিং-অফ পিরিয়ড এবং স্বেচ্ছায় বিরতির সুবিধা রয়েছে।

ভবিষ্যতে jta9 আরও বড় হওয়ার পথে আছে। মোবাইল অ্যাপ, নতুন গেম প্রোভাইডার এবং আরও বেশি স্থানীয় পেমেন্ট অপশন যুক্ত করার পরিকল্পনা চলছে। আমাদের লক্ষ্য একটাই — বাংলাদেশের প্রতিটি গেমারের কাছে সেরা অনলাইন বিনোদন পৌঁছে দেওয়া।

২০২০
jta9-এর সূচনা

স্লট গেম দিয়ে যাত্রা শুরু, প্রথম ১০,০০০ সদস্য নিবন্ধন।

২০২১
লাইভ ক্যাসিনো যুক্ত

রিয়েল ডিলারের সাথে লাইভ টেবিল গেম চালু, সদস্য সংখ্যা ১ লক্ষ ছাড়িয়ে গেল।

২০২২
ভিআইপি প্রোগ্রাম চালু

এক্সক্লুসিভ ভিআইপি টায়ার, উচ্চতর পুরস্কার ও ব্যক্তিগত ম্যানেজার সুবিধা।

২০২৩
ফিশ গেম ও ক্রিপ্টো সংযোজন

জনপ্রিয় ফিশ শুটিং গেম এবং ক্রিপ্টোকারেন্সি পেমেন্ট অপশন চালু।

২০২৬–২৫
৫ লক্ষ সদস্য মাইলফলক

রেকর্ড সংখ্যক সক্রিয় সদস্য, নতুন গেম ও পেমেন্ট পদ্ধতি সংযোজন অব্যাহত।

কেন jta9 আলাদা?

আমাদের প্ল্যাটফর্ম যা যা অফার করে তা অন্য কোথাও পাবেন না

১০০% নিরাপদ ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত

jta9 আন্তর্জাতিক লাইসেন্সের অধীনে পরিচালিত। SSL এনক্রিপশন ও দুই-স্তরীয় যাচাইকরণ প্রক্রিয়ায় আপনার অ্যাকাউন্ট ও অর্থ সম্পূর্ণ সুরক্ষিত।

তাৎক্ষণিক ডিপোজিট ও উইথড্রয়াল

Mobile Banking বা Nagad-এ মাত্র ৩০ সেকেন্ডে ডিপোজিট। জয়ের টাকা তুলতেও একই গতি — কোনো অপেক্ষা নেই, কোনো ঝামেলা নেই।

১,০০০+ প্রিমিয়াম গেম

বিশ্বের সেরা গেম প্রোভাইডারদের সাথে পার্টনারশিপে আমরা অফার করি স্লট, লাইভ টেবিল, ফিশ শুটার এবং আরও অনেক ক্যাটাগরির গেম।

উদার বোনাস ও প্রমোশন

নতুন সদস্যদের জন্য ১৫০% ওয়েলকাম বোনাস, সাপ্তাহিক রিলোড, ক্যাশব্যাক অফার এবং ভিআইপিদের জন্য বিশেষ পুরস্কার — প্রতিনিয়ত আপডেট হয়।

২৪/৭ বাংলায় কাস্টমার সাপোর্ট

দিনে-রাতে যেকোনো সময় বাংলায় লাইভ চ্যাটে সাহায্য পান। আমাদের দলের গড় রেসপন্স টাইম মাত্র ৫ মিনিট।

মোবাইল-ফার্স্ট ডিজাইন

স্মার্টফোন থেকেই সম্পূর্ণ অভিজ্ঞতা নিন। আলাদা অ্যাপ ছাড়াই ব্রাউজারে অনায়াসে খেলুন, ডিপোজিট করুন এবং জয় তুলুন।

আমরা যে নীতিতে বিশ্বাস করি
০১

স্বচ্ছতা

প্রতিটি শর্ত, প্রতিটি নিয়ম পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করা আছে। কোনো লুকানো চার্জ বা বিভ্রান্তিকর শর্ত নেই।

০২

ন্যায্যতা

সব গেমে সার্টিফাইড RNG প্রযুক্তি ব্যবহার হয়। কেউ অতিরিক্ত সুবিধা পায় না, সবার সুযোগ সমান।

০৩

নিরাপত্তা

সর্বোচ্চ মানের এনক্রিপশন ও ফায়ারওয়াল দিয়ে প্রতিটি সদস্যের তথ্য ও অর্থ সুরক্ষিত রাখা হয়।

০৪

দায়িত্বশীলতা

আমরা বিনোদনে বিশ্বাসী, আসক্তিতে নই। সেলফ-লিমিট ও কুলিং-অফ টুলস সবার জন্য উন্মুক্ত।

jta9-এর পেছনের মানুষেরা

অভিজ্ঞ ও নিবেদিতপ্রাণ দল যারা প্রতিদিন আপনার সেরা অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে কাজ করে

রাফি আহমেদ
প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা

১০+ বছরের অনলাইন গেমিং ইন্ডাস্ট্রির অভিজ্ঞতাসম্পন্ন। jta9-এর মূল দর্শন ও কৌশলের মূল রূপকার।

নাফিসা হক
প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা

সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞ। প্ল্যাটফর্মের নিরাপত্তা ও প্রযুক্তি অবকাঠামো পরিচালনায় নেতৃত্ব দেন।

তানভীর ইসলাম
প্রধান পণ্য কর্মকর্তা

গেমিং প্রোডাক্ট ডিজাইনে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা। ব্যবহারকারী-বান্ধব অভিজ্ঞতার পেছনের কারিগর।

সুমাইয়া বেগম
কাস্টমার সাপোর্ট প্রধান

৫০+ জনের সাপোর্ট টিমকে নেতৃত্ব দেন। প্রতিটি সমস্যা দ্রুত ও আন্তরিকভাবে সমাধানই তার লক্ষ্য।

বিশেষ অফার এখনই সক্রিয়

jta9 পরিবারে যোগ দিন এবং
১৫০% ওয়েলকাম বোনাস উপভোগ করুন

আজই নিবন্ধন করুন এবং প্রথম ডিপোজিটে সর্বোচ্চ ৳১০,০০০ পর্যন্ত বোনাস পান। বাংলাদেশের লক্ষাধিক বিজয়ীর সাথে যুক্ত হওয়ার এটাই সেরা সময়।

১৫০%
ওয়েলকাম বোনাস
সর্বোচ্চ ৳১০,০০০
প্রথম ডিপোজিটে
English